কালের বিবর্তনে এবং ডিজিটাল যুগের আগমনে মানুষ ধীরে ধীরে হলমুখী হওয়া কমিয়ে দেয়। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও স্মার্টফোনভিত্তিক বিনোদনের বিস্তারে দর্শক হারিয়ে ফেলতে থাকে ঐতিহ্যবাহী এই সিনেমা হলটি। ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায় প্রদর্শনী কার্যক্রমও। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকার পর বর্তমানে ভাঙা হচ্ছে ‘বাঁশরী’ সিনেমা হলের ভবন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই স্থানে নির্মাণ করা হবে একটি আধুনিক বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স বা শপিং মল। ইতোমধ্যে পুরোনো ভবনের ধ্বংসযজ্ঞের কাজ শুরু হয়েছে।
রায়পুরের প্রবীণ নাগরিকেরা এই ঘটনাকে সাংস্কৃতিকভাবে বেদনাদায়ক বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের ভাষায় “বাঁশরী সিনেমা হল শুধু একটি দালান ছিল না; এটি ছিল আমাদের তারুণ্যের স্মৃতি, একটি জীবন্ত ইতিহাস। স্থানীয় সংস্কৃতি অনুরাগীরা মনে করছেন, আধুনিকায়নের এই ঢেউয়ে হারিয়ে যাচ্ছে অতীতের বিনোদন ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয়। প্রশ্ন উঠছে উন্নয়ন ও প্রযুক্তির এই যুগে আমরা কি আমাদের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলছি।
